দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আব্দুস সালামের নাম ঘোষণা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, কাউকে মনোনয়ন দেওয়ার কথা বলেননি, বরং সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন জানানোর কথা বলেছেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রীদের মধ্যে বাইসাইকেল বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, ‘আমি কাউকে মনোনয়ন দিইনি এবং দলসমর্থিত প্রার্থীর কথাও বলিনি। আমি বলেছি, আগামী নির্বাচনে যদি সালাম সাহেব এবং টিপু সাহেব মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী হন, আপনারা দয়া করে তাঁদের সমর্থন করবেন।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের একটি নিবাসে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি গিয়েছিলেন। সেখানে কান্দুলী ও তেলুগু সম্প্রদায়ের ৬৪০টি পরিবারের মধ্যে শাড়ি, লুঙ্গি, কাপড় ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া তাঁর বক্তব্যের পুরো অংশ প্রচার করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে যদি সালাম সাহেব এবং ওখানকার স্থানীয় কাউন্সিলর টিপু অংশগ্রহণ করেন, তাহলে আমরা তাঁদের সমর্থন দেব।’
মীর শাহে আলম আরও বলেন, নতুন আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ও দলীয় মনোনয়নের সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে দল কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দিতে পারে। মেয়র পদে কাকে সমর্থন দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটি নেবে।
এর আগে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাই যেন সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাতায়াত করে। কেউ উত্ত্যক্ত করতে চাইলে তাকে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভদ্রভাবে তার গায়ের ওপর সাইকেল উঠিয়ে দিবা, পারবা না?’
নারীশিক্ষা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নারীশিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ডিগ্রি পর্যন্ত বিনা মূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, নারী ও শিশুর যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতেই মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।
এমএম/